ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২ ২০১৯,


শিরোনাম
যতদিন বেঁচে থাকি আপনাদের সেবা করে যাবো: ডা.এম,এ তাহের     বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখার কমিটি অনুমোদিত     কচুয়ায় শিলাস্থান একতা সমাজ সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরন     বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ:চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন-সভাপতি আরফাদ আহমেদ হিমেল,সম্পাদক এস,এম, সারোয়ার     কচুয়ায় বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম শামছুল হক প্রধানের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা     দারোগার প্রতি অভিমান, দারোগার প্রতি ভালোবাসার টান     নতুন আশার উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মো: নুরুল ইসলাম মাষ্টার কে সাংবাদিক দের পক্ষ থেকে অভিনন্দন     নতুন আশার উপদেষ্টা সম্পাদক নির্বাচিত মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মাষ্টার     পহেলা বৈশাখের ইতিহাস :জুয়েল তরফদার     বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন    

একটি দেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র সংসদ।

demo | ১২:৫৪ মিঃ, নভেম্বর ৬, ২০১৭



আয়কর দেওয়ার বিষয়ে জনগণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আট বছর ধরে যে আয়কর মেলার আয়োজন করে আসছে, সেটি ইতিবাচক উদ্যোগ বলে মনে করি। মেলার প্রথম চার দিনে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা আয়কর আদায়ও উৎসাহব্যঞ্জক।

বর্তমানে বাংলাদেশের লোকসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। এর মধ্যে ১ শতাংশ মানুষ আয়কর দিলে সেই সংখ্যা ১৭ লাখ হওয়ার কথা। কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আয়করদাতার সংখ্যা ছিল ১৩ লাখের মতো। গত অর্থবছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ লাখ। এক বছর আগে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি হিসাব দিয়েছিল, আয়কর দেওয়ার যোগ্য মানুষের সংখ্যা ৮০ লাখের কম নয়।

বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা মধ্যম আয়ের দেশের স্বপ্ন দেখি। সে ক্ষেত্রে আয়করদাতার সংখ্যা এত কম হওয়ার কারণ নেই। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করার পরও আয়কর আদায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাড়েনি। খোদ অর্থমন্ত্রী আয়করদাতার সংখ্যা নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাজনৈতিক কারণে সঠিকভাবে আয়কর দিয়েও অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হয়রানির শিকার হয়। আবার সেই রাজনৈতিক কারণে অনেকে কর ফাঁকি দিয়েও পার পেয়ে যান। কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আয়কর ফাঁকি দিয়ে পার পেলে অন্যরাও এ ধরনের কাজে উৎসাহিত হয়। দ্বিতীয়ত, যাঁরা নিয়মমাফিক আয়কর দেন, তাঁদের জন্য প্রণোদনা থাকা প্রয়োজন।

মূল্য সংযোজন করের নামে যে পরোক্ষ কর আদায় করা হচ্ছে তাতে নিম্ন আয় থেকে উচ্চ আয়ের মানুষকে সমান হারেই তা পরিশোধ করতে হয়, যা সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। আয়করের অন্যতম দর্শন হলো যাঁরা বেশি আয় করেন, সরকার তাঁদের কাছ থেকে কর নিয়ে রাষ্ট্রীয় তথা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করবে। আয়করদাতাদের নিশ্চয়ই জানার অধিকার আছে তাঁদের দেয় অর্থ কোন কাজে এবং কীভাবে ব্যয় হচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে অর্থনীতির প্রায় ৪৫ থেকে ৬৫ শতাংশ অর্থ করের বাইরে, অর্থাৎ কালোটাকা। আয়কর বাড়াতে হলে এই কালোটাকার ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করতে হবে। আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আয়করের হার কমালে আয়করদাতা ও করের পরিমাণ বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সেই সঙ্গে এনবিআরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ‘দুষ্ট চক্র’ ও অসাধু ধনবানদের যে গোপন আঁতাত আছে, সেটিও ভাঙতে হবে।





Designed & Developed by TechSolutions BD