ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২ ২০১৯,


শিরোনাম
যতদিন বেঁচে থাকি আপনাদের সেবা করে যাবো: ডা.এম,এ তাহের     বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখার কমিটি অনুমোদিত     কচুয়ায় শিলাস্থান একতা সমাজ সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরন     বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ:চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন-সভাপতি আরফাদ আহমেদ হিমেল,সম্পাদক এস,এম, সারোয়ার     কচুয়ায় বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম শামছুল হক প্রধানের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা     দারোগার প্রতি অভিমান, দারোগার প্রতি ভালোবাসার টান     নতুন আশার উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মো: নুরুল ইসলাম মাষ্টার কে সাংবাদিক দের পক্ষ থেকে অভিনন্দন     নতুন আশার উপদেষ্টা সম্পাদক নির্বাচিত মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মাষ্টার     পহেলা বৈশাখের ইতিহাস :জুয়েল তরফদার     বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন    

৫৭ ধারায় বিশেষজ্ঞ মতামত

সংবাদ প্রতিনিধি | ০১:১৭ মিঃ, আগস্ট ২৭, ২০১৭



এ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেছেন, এ আইনে অনেক বিষয় একসঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। যে কারণে আইনের এ ধারা দিয়ে হয়রানির যথেষ্ট সুযোগ আছে। বিশেষ করে ভিন্নমত দমনের জন্য এটা একটা পারফেক্ট টুলস্। কিছু পরস্পরবিরোধী বিষয়ও এখানে সংযুক্ত।

এরপর ২০১৩ সালের ২১ আগস্ট এই আইনে সংশোধনী আনা হয় উল্লেখ করে ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, এই আইনে সংশোধনী আনা হয় যাতে এই ধারাতে পরিবর্তন এনে কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়িয়ে অন্যূন সাত বছর এবং অনধিক ১৪ বছর করা হয়। এ ধারা প্রথম থেকেই অজামিনযোগ্য ছিল। কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর সব ধারাই ছিল অআমলযোগ্য। যার অর্থ দাঁড়ায়- পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমতি ছাড়া এই আইনে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না। নতুন সংশোধনীতে এই আইনকে আমলযোগ্য করায় পুলিশের ওপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকল না। পুলিশ চাইলেই যে কোনো সময় যে কাউকে এই ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে গ্রেপ্তার করতে পারবে।’

এই আইনে দোষীকে অনধিক ১৪ বছরের কারাদণ্ড এক কোটি টাকা জরিমানা করা যাবে।

এ আইনে আপনি মিথ্যা বা অশ্লীল বললে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এ প্রসঙ্গে জোতির্ময় বলেন সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মিথ্যা বা অশ্লীল কোনো কিছু প্রকাশে বাধা আছে কি না? এতে নীতি বা নৈতিকতার কথা বলা হলেও ‘মিথ্যা’ কোনো কিছু প্রকাশে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। তবে সাধারণ মানেই ধরে নেয়া যেতে পারে এটি উহ্য অবস্থায় হলেও আছে। কিন্তু, এই আইনে কোথাও বলা হয়নি, কোন কোন বিষয়বস্তুকে অশ্লীল বা মিথ্যা হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হবে। এক্ষেত্রে আইনটি সুনির্দিষ্টতার অভাবে দুষ্ট। অথচ যে কোনো ফৌজদারি আইনে অভিযোগ হতে হবে সুনির্দিষ্ট। এতে পরিষ্কারভাবে অভিযোগ বলা থাকতে হবে। হতে পারে, হয়তো, যদি এ রকম কোনো কিছুর স্থান নেই।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু গণমাধ্যমে বলেন, ‘এর সমালোচনা যুক্তিযুক্ত না। বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনের সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক অবস্থায় নেই। যারা সমালোচনা করেন তারা আমাদের অপরাধ দণ্ড আইন ভালো করে পড়ে দেখেননি।  সেই আইনে ১০০ বছর ধরে অজামিনযোগ্য বহু আইন আছে।’

এ প্রসঙ্গে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, যে আইনে মানুষের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বা বৈষম্য সৃষ্টির অবস্থা হয়, সে আইন সংশোধন করাই ভালো।
এদিকে হাইকোর্টে রিটকারীর আইনজীবী শিশির মনির তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(৩) ধারায় অপরাধের সাজার ভিন্নতাকে বৈষম্য উল্লেখ করে বলেন, এতে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে। এ ধরনের অপরাধ করলে কোন আইনে মামলা হবে তা নির্ধারণ করবে পুলিশ। এখন পুলিশ যদি পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাহলে সাজা কম হবে। আর আইসিটি আইনে মামলা করলে সর্বোচ্চ সাজা হবে ১৪ বছর। এখানে ভুক্তভোগীরা বৈষম্যের শিকার হতে পারেন।





Designed & Developed by TechSolutions BD