ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ২৭ ২০১৯,


শিরোনাম
যতদিন বেঁচে থাকি আপনাদের সেবা করে যাবো: ডা.এম,এ তাহের     বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখার কমিটি অনুমোদিত     কচুয়ায় শিলাস্থান একতা সমাজ সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরন     বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ:চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন-সভাপতি আরফাদ আহমেদ হিমেল,সম্পাদক এস,এম, সারোয়ার     কচুয়ায় বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম শামছুল হক প্রধানের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা     দারোগার প্রতি অভিমান, দারোগার প্রতি ভালোবাসার টান     নতুন আশার উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মো: নুরুল ইসলাম মাষ্টার কে সাংবাদিক দের পক্ষ থেকে অভিনন্দন     নতুন আশার উপদেষ্টা সম্পাদক নির্বাচিত মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মাষ্টার     পহেলা বৈশাখের ইতিহাস :জুয়েল তরফদার     বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন    

একাদশ জাতীয় সংসদ ঘাতক মুক্ত দেখতে চাই।

নিজস্ব প্রতিনিধি | ০৮:০৪ মিঃ, নভেম্বর ২৮, ২০১৭




আজ ২৮ নভেম্বর, ২০১৭ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন এর ২৩/২, তোপখানা রোড চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন ও সভাপতি ভাড়াটিয়া ঐক্য পরিষদ  আশরাফ আলী হাওলাদার সভাপতিত্বে  ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ, সাফল্য ও সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ ইতিহাস-ঐতিহ্য কেন্দ্র সরদার সেলিম রেজা, 
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সভাপতি, জয় বাংলা মঞ্চ মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, এছাড়া আরো বক্তব্য  দেন চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্ট আবু আহাদ আল মামুন (দিপু মীর), কৃষক প্রজা পার্টির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সভাপতি, বাংলাদেশ লোক শক্তি পার্টি শাহিকুর রহমান টিটু, বাকশাল এর মহাসচিব কাজী মোঃ জহিরুল হক কাইয়ুম, বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের যুগ্ম সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা আখতার হোসেন বিন ফারুকী, সভাপতি, বাংলাদেশ স্বাধীনতা দল মোঃ হোসেন লিটন, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন, ঢাকা মহানগর অলিউল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার আলোচনায় বলেন, বর্তমান মহাজোটের সাফল্য ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সরকারকে পুর্নরায় নির্বাচিত করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ^াসী যুব সমাজের নেতৃত্ব। 


প্রধান আলোচক তার বক্তৃতায় বলেন, বিএনপির জিয়া-খালেদা একাত্তরের ঘাতক মানবতাবিরোধীদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে জাতির পিতা মুজিব সহ জাতির সাথে ঘাতকতা করেছে। যুদ্ধপরাধীদেরকে মন্ত্রী বানিয়ে ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষাধিক মা-বোনদের সম্ভ্রমের বিনিময় অর্জিত লাল সবুজের পতাকা তুলে দিয়ে স্বাধীনতার চেতনার সাথে করেছে চরম প্রতারণা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের করেছে অমার্জনীয় জঘন্য অপরাধ। জঙ্গীবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা করে ইসলামের ক্ষতিসাধনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাঙ্গালী মুসলিমদের ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে করেছে ক্ষুন্ন। গণতান্ত্রিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন ও প্রতিরোধের আড়ালে নিরহ গণমানুষের উপর চালিয়েছিল নির্মম নৃশংস আগুন সন্ত্রাস এবং পেট্রোল বোমা মেরে গণমানুষ করেছিল বর্বরোচিত গণহত্যা। জাতীয় শোকের দিনে মিথ্যা জম্ম উৎসবে নামে নগ্ন প্রতিহিংসার নাটক। ৭ নভেম্বর ইতিহাসের বিকৃত অগণতান্ত্রিক মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যার তান্ডবের  মহাউৎসব। এই সবই হচ্ছে জিয়া-খালেদার একত্তরে স্বাধীনতাবিরোধী পরাজিত অপশক্তিকে খুশী করার নগ্নপর্ব। তাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মহাজোট সরকারের প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপক্ষের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে একাত্তর ঘাতকরদের নির্মূলের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ সরকারের সাফল্য এবং আগামী সম্ভাবনর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বির্ণিমানের প্রত্যয়ে দৃঢ় ঐক্য। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন এই দাবিটি রাজপথে করে আসছে বলে আমি দৃঢ়তার সাথে বিশ^াস করি। 

সভাপতি তার সমাপনী বক্তৃতায় বলেন, মাদার অব হিউম্যানিটি বিশ^নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তি আজ ঐক্যবদ্ধ। যে সম্ভাবনা নিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে লাল সবুজের পতাকাবাহী আমাদের এই জন্মভূমি সৃষ্টি হয়েছে। আজ আমরা স্বাধীন। পরিতাপের বিষয় হলো একটি চক্র বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতাকে কুঙ্খিত করার লক্ষ্যে পচাত্তেরর পনেরই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। দীর্ঘকাল সংগ্রামের পর তাঁরই তনয়া শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আশীন হয়ে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বির্নিমাণে চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি ঘাতকদের পেতাত্মা খালেদার নেতৃত্বে অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। সাফল্যের দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় অগ্রগতি অনেক, যেমন- পদ্মা ব্রীজ, কুড়িল বিশ^রোড, মৌচাক, যাত্রাবাড়ী ও দেশের বিভিন্ন শহর উপশহরে ফ্লাইওভার এবং হারিঝিল সহ বিভিন্ন উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। সুতরাং আমরা মুক্তিচেতনার বাংলাদেশ বির্নিমাণের লক্ষ্যে ১৪ দলীয় জোট তথা মহাজোট সরকারের সকল উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডকে স্বাগত জানাচ্ছি। পাশাপাশি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি ও নব্বই এর স্বৈরাচারমুক্ত সংসদ দেখতে চাই। তাই আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সকল শক্তির ঐক্যের প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।





Designed & Developed by TechSolutions BD